ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের সোয়ানসি শহরে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসব বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩। শহরটির হাফোড কমিউনিটি সেন্টারে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল ১১ টা থেকে শুরু হয় এ অনুষ্ঠান। প্রবাসের মাটিতে এক টুকরো বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রয়াসে কাকুলী খাতুন এবং সৈয়দা তৃনা চৌধুরীসহ কয়েকজন মহিলার উদ্যোগে আয়োজিত হয় এই বৈশাখী মিলনমেলা। এতে অংশগ্রহন করে প্রায় শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি ।
শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ অনুষ্ঠান। পরে সম্মিলিত কণ্ঠে গাওয়া হয় ‘এসো হে বৈশাখ’ গানটি। সংগীত পরিবেশন করেন ড. মৌটুসী তানহা, তানজিলা তাশরীফ এবং সুমাইয়া। প্রাণবন্ত গানের মূর্ছনার মুগ্ধ হয় দর্শকরা। অনুষ্ঠানে গান এবং কবিতার ছন্দে ফিরে আসে দেশীয় ঐতিহ্যের আমেজ।
দুপুরে বাঙালি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘পান্তা-ইলিশ’ ছিল খাবারের মূল আকর্ষণ। সাথে ছিল বাঙালির চিরচেনা হরেক রকমের ভর্তা, ভাজি, বাহারি পিঠা-পায়েস ও দেশীয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। খাবার শেষে মহিলাদের জন্য আয়োজিত হয় ‘বালিশ বদল’ খেলা। এরপর অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ‘র্যাফেল ড্র’ ।
আয়োজক কমিটির সদস্য কাকলী খাতুন জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ-সংস্কৃতি ও শিকড়ের টান তুলে ধরতেই এই ক্ষুদ্র আয়োজন। ভবিষ্যতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখ শোভাযাত্রা’র মতো বড় আঙ্গিকে নববর্ষ উদযাপনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
বেলা ৩টায় পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে সমাপ্ত হয় নববর্ষ উৎসব।






