
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নতুন বছরের শুরুতেই এমন এক পরিস্থিতিতে পড়লেন, তাঁকে অস্বস্তিকর দুটি সিদ্ধান্তের মধ্য থেকে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। হয় তাঁকে ইউক্রেনে তাঁর বিশেষ সামরিক অভিযান সীমিত করতে হবে, নয়তো রাশিয়ার অর্থনীতিতে মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি নিতে হবে।
কিন্তু প্রায় রাতারাতি পুতিনের হাতে সমস্যার সমাধান তুলে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ফলে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যা ক্রেমলিনের আয়ের প্রধান উৎসকে চাঙা করে দিয়েছে এবং পুতিনের পক্ষে যুদ্ধ চালিয়ে নেওয়া আরও সহজ করে তুলেছে।
গত সপ্তাহান্তে ইসরায়েল ইরানের তেল স্থাপনায় বোমা হামলা চালানোর পর অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০২২ সালের গ্রীষ্মের পর এটিই তেলের সর্বোচ্চ দাম; তখন ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসনের পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।






